প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

নূরানী তা‘লীমুল কুরআন একাডেমী

Noorani Taleemul Quran Academy

স্থাপিত: 2017 খ্রিস্টাব্দ

শ্যামলাশী বাহেরচর, ভাকুর্তা, সাভার, ঢাকা।


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

মানুষের জীবনের সুস্পষ্ট দুটি অধ্যায়- ইহকাল ও পরকাল।  উভয় জীবনের সফলতাই মানব জীবনের সফলতা। আর এই সফলতার একমাত্র মাধ্যম দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি জাগতিক শিক্ষার মাধ্যমে নিজেকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা। একটি শিশু সর্বপ্রথম মায়ের কাছেই শিক্ষা লাভ করে। মাতৃ জাতির দ্বীনি শিক্ষা তথা সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া মানেই একটি জাতি, একটি দেশ শিক্ষিত হওয়া।  তাই একটি শিশুকে ইসলামী শিক্ষাদানের পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার মাধ্যমে শারীরিক ,মানসিক ও প্রযুক্তিগতভাবে বলিষ্ঠ করে গড়ে তোলা প্রয়োজন। "Today's children are Tomorrow's Steersman." আজকের শিশু আগামী দিনের কর্ণধার। প্রতিটি শিশুই অফুরন্ত সম্ভাবনা নিয়ে পদার্পন করে। শিশুর এ সম্ভাবনা উপযুক্ত পরিবেশ , যথাযথ পরিচর্যা , উত্তম শিক্ষার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে বিকাশ লাভ করে।  " সু-শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড, ধর্ম জাতির প্রাণ। " প্রাণহীন মেরুদন্ড যেমন কোনও কাজে আসে না তেমনি ধর্মহীন শিক্ষাও আদর্শ মানুষ গড়ার সফলতা দেখতে পারে না। 

তাই প্রয়োজনে দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার এমন এক সমন্বিত ব্যবস্থা যার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিসত্তা বিকাশের পথ উন্মুক্ত হবে, ঈমান দৃঢ় হবে, চরিত্র হবে নির্মল সুন্দর, সমাজের দায়িত্ব পালনের অনুভূতি হবে সুতীব্র, পরকালের জবাবদিহিতার ভয় সদা জাগ্রত থাকবে অন্তরে। 

অতএব, উভয় জগতের সফলতার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ও সফল শিক্ষা ব্যবস্থার প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা সময়ের অনিবার্য দাবী।  আর সেই দাবিকে সামনে রেখে নূরানী তা‘লীমুল কুরআন একাডেমীর পথ চলা।  এ পথচলায় আপনিও হতে পারেন আমাদের সহযাত্রী।  আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা প্রত্যয়ী , ইন শা আল্লাহ আমরা সচেষ্ট আপনার আস্থা মূল্যায়নে। আমরা সমর্পিত মহান আল্লাহর সমীপে।